শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বহরে যুক্ত হলো নতুন জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা ৩৯নং ওয়ার্ডের বন্দরটিলার অলি-গলি,ও বাসা-বাড়িতে আমীর খসরু’র ধানের শীষ সমর্থনে গণসংযোগ.. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। চট্টগ্রামে ল্যাসিং আনল্যাসিং শ্রমিকদের চাকুরীচ্যুতে প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউরোপীয়ান প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ক্রীড়া সমিতি কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত ইপিজেডে সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদের উপদেষ্টা পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত এই আসন থেকে আমার বাবাকেও নির্বাচিত করেছিলেন আমাকেও ৩বার এবার আবারও আপনারাই নির্বাচিত করবেন- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্মরণের আবরণে শাহসূফী সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন সরকারের অনুকূলে ২০৩.৪৭ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর।

নীলফামারীতে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

নীলফামারীতে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

সত্যেন্দ্রনাথ রায় ঃ- নীলফামারী,প্রতিনিধি

কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নয় এখন বানিজ্যক উদ্দেশ্যেও চাষ হচ্ছে এই ফুলের।দেশের ভোজ্যতেলের সংঙ্কট নিরসনে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর থেকেও সূর্যমুখী চাষে
কৃষদের করা হচ্ছে উদ্ববুদ্ধ । বিনামুল্যে দেয়া
হচ্ছে সার ও বীজ।

সব গুলো ফুলগাছ,সবুজ হ্যাংলা গাছের চুড়ায় হলদে গাছের ফুল। এ যেন সাজিয়ে আছে হলুদের কনে। মুখটা হলুদ আর সরীরে সবুজ শাড়ি।হঠাৎ দেখলে এমনাটাই মনে হবে। রাজা সলোমনকেও সাজালেও এত সুন্দর দেখাবেনা। নাম তার সূর্যমুখী।

নীলফামারীর ডোমারে সূর্যমুখী তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি কল্পে ও শস্য চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের ।উপজেলায় এবারে সরকারী প্রনোদনায় এক একর জমিতে তেল জাতীয় শস্য সূর্যমুখী চাষ করা হচ্ছে। বর্তমানে ফুলে ফুলে ভড়ে উঠেছে খেত। লাভের আশা করছেন হরিনচড়া ইউনিয়নের ১নংওয়ার্ডের মিস্ত্রীপাড়া এলাকার প্রতিবন্ধী কৃষক সুবাস চন্দ্র রায়। তিনি আরো বলেন আমি বর্গা চাষী বিনা মুল্যে আমাকে সার ও বীজের ব্যবস্থা করে দিয়েছে, ডোমার উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার নাজির হোসেন,আবাদে মোট
খরচ আট হাজারের উপরে হতে পারে। জমিতে যেন ভালো ফলন পাই সে কারনে প্রতি সপ্তাহে হামাক পরামর্শ দিতে আসেন স্যার ।উপ সহকারী অফিসার সাথে কথা হলে তিনি বলেন কম খরচে সূর্যমুখী আবাদ করা যায়,৩৩ শতাংশে জমিতে সর্বোচ্চ ২৬৬ কেজি,নিম্নে ১৬০ কেজি ফলন হতে পারে।

ডোমার উপজেলা কৃষি অফিসার (কৃষিবিদ) আনিছুজ্জামান বলেন এবারে উপজেলায় ১ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে, এবং দেশে ভোজ্যতেলের সংঙ্কট নিরশনে কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর থেকে সূর্যমুখী চাষাবাদে কৃষকদের উদ্ববুদ্ধ করনে কাজ করে যাচ্ছি ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com